২৭/১১/২০২০ ১৯:১৭:৩৬

matrivhumiralo.com পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন

প্রতি মুহূর্তের খবর

o এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সভা o ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ইউনিটি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত o ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৩ অক্টোবর পরিচিতি সভা o শান্তিরক্ষা মিশনে গৌরবময় অর্জন রয়েছে নারী পুলিশ o নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশের মহড়া
আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  মতামত  >  বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত

বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত

পাবলিশড : ২৬/০৬/২০২০ ১৭:০৮:০৮ পিএম
বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত

মাতৃভূমির আলো ডেস্ক ::

বাসর রাত মুমিন জীবনের অন্যতম রাত। যারা প’রকীয়া করে, লিভ টুগেদার করে, তারা এ রাতের মর্ম বুঝবে না। যারা বেশ্যা বা বহুগামিতা তাদের কাছে এ রাত বাতুলতা মাত্র। আমরা এ পর্বে বাসর রাতে অবশ্য পালনীয় কিছু টিপ্স নিয়ে আলোচনা করব। ০১. গোলাপ ফুল দিয়ে দুজন দুজনাকে বরণ করে নিতে হবে। ০২. উভ’য়ই মহান আল্লাহকে যে ভালবাসবেন তা পরিষ্কার ভাবে দুজনা বোঝা পড়া করবেন। ০৩. হানিমুনে কোথায় যাবেন তা বাসর রাতেই ঠিক করবেন, সে ক্ষেত্রে স্বা’মী স্ত্রী’কে এটা ঠিক করতে হবে যে, সবচেয়ে পৃথিবীর মূ’ল্যবান যায়গা মক্কা ম’দীনায় যাওয়া এবং ওমরা করার পরিকল্পনা করা। ০৪. ছোট খাট ভু’লের জন্য কাউকে তিরষ্কার না করা। কাউকে ছোট না করা। ০৫. কোন পক্ষের আত্নীয় স্বজনকে ছোট না করা, গালি না দেওয়া, অ’পমান না করা। ০৬. জীবনের প্রথম ভালবাসার রাত, তাই ভালবাসা অক্ষুন্ন রাখা। ০৭. দুজনাতে একটু খোশ গল্প করা, জীবন থেকে কোন গল্প বলা। ০৮. ভবি’ষ্যত জেনারেশনের ব্যাপারে আলাপ সেরে নেওয়া। তবে বেশী দূর অগ্রসর না হওয়াই ভাল। ০৯. মোহরানা যদি বাকি থাকে সেটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, অল্প দিনের মধ্যেই মোহরানা পরিশোধ করা। স্ত্রী যদি চাকুরি করে তবে টাইম টেবিলটা নিয়ে একটু পরিষ্কার করা। চাকুরি না করলে ভবি’ষ্যত পরিকল্পনার কথা বলা। ১০. এ রাতই হল উত্তম ভালবাসার রাত। দুজনার সব আকুতি মেশানো ভালবাসা দিয়ে দুজনাকে জয় করা। কোন ভাবেই যেন ফজরের নামাজ কাজা না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা । আরও পড়ুন: ইসলামে স’হবা’সের স্বাভাবিক আসন(ভিডিও সহ) ইসলামে না’রী-পু’রুষের মধ্যে স’ম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই হচ্ছে একমাত্র বৈধ উপায়। বিয়েতে মোহরানা ধার্য করা এবং তা যথারীতি আদায় করার জন্য ইসলামে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। স্বা’মীর পক্ষ থেকে স্ত্রী’কে মোহরানা প্রদান করা ফরজ। কোরআন ও হাদীসের আলোকে মোহরানা : মোহরানা স’ম্পর্কে কোরআনের বানী : আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের নিকট যে যৌ’ন স্বাধ গ্রহন কর, তার বিনিময়ে তাদের মোহরানা ফরজ মনে করে আদায় কর।’ (সূরা নিসা-২৪) আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘অতঃপর না’রীদের অভিভাবকের অনুমুতি নিয়ে তাদের বিয়ে কর এবং তাদের মোহর যথাযথভাবে আদায় করে দাও।’ (সূরা নিসা-২৫) আল্লাহ তায়ালা বলেন, “স্ত্রীদের প্রাপ্য মোহরানা আদায় করে দাও, খূশী হয়ে ও তাদের প্রাপ্য অধিকার মনে করে।’ (সূরা নিসা-৪) অত্র আয়াত সমুহ প্রমাণ করে যে, মোহরানা ফরজ বা আদায় করা অপরিহার্য। মোহরানা স’ম্পর্কে রাসুল (সাঃ) এর বানী : উক্ববা ইবনু আমের (রাঃ) বলেন, রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “অবশ্যই পূরণীয় শর্ত হচ্ছে, যার বিনিময়ে তোমরা স্ত্রীর যৌ’না’ঙ্গ নিজেদের জন্য হালাল মনে কর।’ (বুখারী,মু’সলিম) মহানবী (স.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোন মে’য়েকে মোহরানা দেয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে, কিন্তু সে মোহরানা আদায় করার তার ইচ্ছে নেই, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে অ’পরাধী হিসেবে দাঁড়াতে বা’ধ্য হবে।’ (মুসনাদে আহমেদ)।
এ বিভাগের সর্বশেষ