২৯/০৩/২০২০ ১৭:৪৫:৫৭

matrivhumiralo.com পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন

প্রতি মুহূর্তের খবর

o করোনা মোকাবিলায় মেডিক্যাল টিমসহ ১০০ সেনাসদস্য o করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করেছে সেনাবাহিনী o করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় o করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সুন্নতে খাৎনার অনুষ্ঠান বন্ধ o আগামী সপ্তাহ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ
আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  রাজনীতি  >  খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান এর নির্বাচনী অঙ্গীকার

খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান এর নির্বাচনী অঙ্গীকার

পাবলিশড : ০৫/০৫/২০১৮ ১৩:২৮:৫৯ পিএম আপডেট : ০৫/০৫/২০১৮ ১৩:৩৩:২২ পিএম
খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান এর নির্বাচনী অঙ্গীকার

-জামান ::

খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, ঝিনাইদহ্ ৮১/১, শৈলকুপা আসনে মনোনয়নপত্র পেলে এবং এলাকাবাসী নির্বাচিত করলে, তিনি যে দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো পালন করার পক্ষে, একান্ত স্বাক্ষাতে তার সে মতামত ব্যক্ত করে যে, অঙ্গীকার করেছেন তা পর্যালোচনার স্বার্থে নতুন তথ্য যুক্ত করে তুলে ধরা হলো।

 

১। খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান একান্ত স্বাক্ষাতে মতামত প্রশ্নের এক পর্যায়ে খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান তার পরিচিতি তুলে ধরেন এবং তিনি আবেগ জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার পিতা মৃত- বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন জামান লক্ষন, মেঝো ভাই মৃত- বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদার খন্দকার রবি-উজ-জামান সিপার, মেজর জেনারেল মজিদ-উল-হক সাহেবের হাত ধরে জাগ দলে (দলের সe©  পªথম), বর্তমান নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এ যোগদান করেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক, ঝিনাইদহ্ জেলা কমিটির দায়িত্ব পেয়ে এবং আমি প্রচার সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়ে, বহু দলীয় গণতন্ত্রের আলোকে দেশ ও জাতীয় স্বার্থে কাজ করার লক্ষ্যে প্রতিপক্ষের প্রবল বিরোধীতার মাঝেও দলের স্বার্থে কাজ করায় সক্রিয় রয়েছি। তিনি তার নানা- মরহুম খন্দকার রওশন আলী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খাঁন ভাসানীর অত্যন্ত কাছের লোক ও ভক্ত ছিলেন এবং তার সাথে সরাসরিভাবে রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন, আর জাতীয় স্বার্থে ভাসানী সাহেবের সাথে আন্দোলন, সংগ্রামে সক্রিয় অবদান রেখেছেন বলেও জানান।

বিঃদ্রঃ খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেখানে সাবেক এমপি আব্দুল ওহাব গংরা সরাসরি বিরোধীতা করেছে।

উল্লেখ্য যে, উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনের আর মাত্র ১৬ দিন বাকী। ঠিক ঐ দিন রাত্রে আমার মেজো ভাই বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার খন্দকার রবি উজ জামান সিপার কে হত্যা করা হয় এবং ঐ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে আমার পাশ করার সম্ভাবনা দেখেই আমার ভাইকে হত্যা করা হয়। যা সুষ্ঠু উচ্চতর তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। আমার ধারনা আমার ভাই সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করতেন বলে তাকে হত্যা করা হয়, তার মানে এক ঢিলে দুই পাখি শিকার। আমাকেও হত্যা করার পরিকল্পনায় আছে।

 

২। তিনি বলেন ২০০৬ সালের ৭ই অক্টোবর তার পিতা ও মেঝো ভাইকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিংসা পরায়ন হয়ে, নগদ অর্থ ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ের আলোকে খুনী-সন্ত্রাসীচক্র ২০০৮ সালের ২৭ই ডিসেম্বর হত্যা করে, যার বিচার আমি আজও পাইনি (পিতা এবং মেঝো ভাই হত্যাকান্ড একই সূত্রে গাঁথা)। তবুও আমি আমার পিতা ও ভাইকে অনুসরণ করে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম- এর নীতি ও আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে, দীর্ঘদিন যাবৎ সক্রিয় থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। আঃ ওহাব গংদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমার ভাইয়ের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাড়িতে হামলা করে ডিটেনশন খাটিয়ে পুরো পরিবারকে ধ্বংস করার হীন চেষ্টায় এখনো লিপ্ত রয়েছে। অথচ আঃ ওহাব সম্পূর্ণ রূপে একজন অরাজনৈতিক লোক এবং মানব সভ্যতার জন্য ক্ষতিকর মানুষ। মেজর জেনারেল মজিদ উল হক এর নির্দেশক্রমে ঢাকায় থেকে তার মেঝো ভাই খন্দকার বরি-উজ-জামান সিপার, গণতন্ত্র পুনঃউদ্ধারের স্বার্থে, স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, সংগ্রামে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পতাকা তলে থেকে সক্রিয় অবদান রেখেছেন। তার মেঝো ভাই

চলমান পাতা-০২

পাতা-০২

 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নমিনেশন পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন, যেই বৎসর ওয়াহাবের নামে নমিনেশন পত্র দেওয়া হয়। বড় কষ্ট হয় সেই ত্যাগ, শ্রম ও ঝুঁকির মাঝে অবদান রেখেও, তিনি ওয়াহাব কর্তৃক নমিনেশন পেপার দাখিল করার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন করার সুযোগ পায় নাই। সেই ত্যাগী পিতা ও মেঝো ভাই খুন হওয়ার ফলে, আমি আতংকগ্রস্থ থাকার কারণে, এলাকায় নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে না পারলেও, এলাকাবাসীর সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করছি এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমি উৎসাহ পাচ্ছি। উক্ত কুচক্রী গং একবার আমার মেঝো ভাইকে সহ আমাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে পেশাদার খুনী চক্র মিলে আটকিয়ে ছিল। কিন্তু মহান বিধাতার সাহায্যে বেঁচে গেছি। আজ দেরিতে হলেও সংবাদ পাচ্ছি পেশাদার খুনীরা, দুর্নীতির অপরাধে এক এক করে ধরা পড়ছে, ভিতরে ঢুকছে, বিচার হচ্ছে। আমি জীবনের মায়া ত্যাগ করে এখনও হত্যার বিরুদ্ধে মাঠে সক্রিয় রয়েছি, যাহাতে খুনীগং বাংলার মাটিতে আর প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে।


৩। এই পর্যায়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসনসহ দলের নীতি নির্ধারণকারী নেতৃবৃন্দ যদি আমার পিতা ও মেঝো ভাই এবং আমার কর্ম ও উৎসাহের প্রতি সদয় হয়ে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাকে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়পত্র দেন তাহলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। আমি নির্বাচিত হলে মঙ্গলময় যে কাজগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব তা সাংবাদিক মোঃ মতিউর রহমান সরদার এর স্বাক্ষাতে আলোচনার বিষয়বস্তু ও ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনার চিন্তা তুলে ধরলাম। এলাকাবাসী আশা করি বিবেচনা করবেন।

 

অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ১।

১। বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম- এর ১৯ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, দলের চেয়ারপারসন সহ আদর্শিক নেতৃবৃন্দের সহায়তা নিয়ে, দেশ ও এলাকাবাসীর মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে, কর্মসূচী সম্পর্কে তাদেরকে অবগত করা হবে, যাহাতে ১৯ দফা কর্মসূচী সম্পর্কে সকলে জানতে পারেন। বহু দলীয় গণতন্ত্রের ভাষায় ধনী-গরীব, দুঃখী, অভাবী ও অসহায় মানুষের কথা শুনে পরামর্শ গ্রহণ করা হবে এবং সমন্বয় হয়ে তৃণমূল পর্যায়ে হেটে হেটে গিয়ে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে এবং এলাকাবাসীর মতামত নিতে হবে, সেই আলোকে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।


অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ২।

২। যে সমস্ত খুন, হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষণসহ ইত্যাদি অপকর্ম সৃষ্টি হয়েছে যেগুলোর ন্যায় বিচার মানুষ পায় নাই, সেগুলোর ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করণের স্বার্থে, উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাহাতে কেউ অকালে স্বজন হারিয়ে না কাঁদে। সেই লক্ষ্য নিয়ে নিজ এলাকার প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মাঝে, মাঝে আলোচনায় বসব। স্বার্থের মোহে অন্ধ হয়ে কেউ যেন কোন প্রকারের ঘৃণীত কাজে জড়িয়ে না পরে, যে কাজগুলো মানুষের শোভা পায় না, সে কাজগুলোর প্রতি নিরুৎসাহীত করা। আমাদের সন্তানদেরকে ভবিষ্যৎ যোগ্য উত্তরসুরী হিসাবে কীভাবে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয় নিয়ে সবাইকেই ভাবতে হবে। প্রতি হিংসার রাজনীতির কারণে খন্দকার মাসুদদের নার্সারি লুট করা হয়েছে, কোটি টাকার সম্পত্তি, খুনীর চক্র দখল করে নিয়েছে, তার পরিবারকে শেষ করার পরিকল্পনা চলছে। অন্যের সম্পত্তি দখল ও হত্যার রাজনীতির মূল উৎপাটন করার লক্ষ্যই হচ্ছে, মাসুদের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। যাহাতে যুব সমাজ সুষ্ঠু রাজনীতি করার পরিবেশ আগামী দিনে পায়। সেই পরিবেশ মাসুদ সৃষ্টি করতে চায়। খুন, হত্যা, ঘুষ, দূর্নীতি ও দখলের রাজনীতির শিক্ষা যেন আমাদের যুব সমাজ না পায় এবং অপকর্ম যেন সমূলে ধ্বংস হয়, মাসুদ সেই প্রত্যাশায়।

পাতা-০৩

অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ৩।

৩। মরন নেশায় সুন্দর জীবন ধ্বংস করে দেয়, সমাজ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দূরে সরিয়ে নেয়। সুতরাং ঘৃণীত মরণ নেশাকে ঘৃণাভরে না না না বলতে হবে। প্রতিটি ভাল কাজকে ভক্তি সহকারে হা হা হা বলে গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ পরিবারের সন্তানদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে হবে। কোন পেশা ছোট নয়, তাই কর্মের প্রতি উৎসাহ বাড়াতে হবে, যাহাতে আমাদের যুবকরা তার পরিবারের বাড়তি বোঝা না হয় এবং পরিবারের তথা যুবদের ভবিষ্যৎ অবনতি না ঘটায়।

অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ৪।

৪। ধনী হোক আর গরীর হোক, এবং হোক না সাধারন পরিবারের সন্তান, তা কোন বিষয় নয়। ধনী-গরীব সৃষ্টি করার মালিক তো মহান আল্লাহ্ তায়ালা। বিধায় এদেরকে পাশে রেখেই সু-পরামর্শ নিয়ে কাজ করতেই হবে। সকল বয়সের মানুষকে, সেই পরামর্শ দিতে ও নিতে হবে, দেশে ভাল প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে, দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখার সুযোগ পাবে। আর ভাল লোক যে দলেরই হোক, তাকে অবশ্যই প্রতিনিধি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। সে যত গরীব পরিবারের সন্তানই হোক না কেন, তার নীতি ও আদর্শকে মূল্যায়ন করতে হবে। কৃষির উন্নয়নে কৃষকদেরকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাদেরকে খুঁজে খুঁজে বের করে নিয়ে আসতে হবে এবং কৃষি কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়িয়ে ও পরামর্শ দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়ন সাধনের প্রতি তাদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে এবং কোন জমি খালি পরে থাকবেনা এবং বেদখল হয়ে থাকা খাল-বিল উদ্ধার করে সংস্কার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা। পাশপাশি কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তাও দিতে হবে। দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর গড ফাদার প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না। খুনী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, কমিশন খোর, টেন্ডারবাজ, মাদক ব্যবসায়ী শ্রেণীর প্রতিনিধিরা কখনো দেশ ও জাতিকে ভাল ফসল দিতে পারেনা এবং ঘৃনা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনে ভোট দেওয়া থেকে সচেতন মানুষকে বিরত থাকতে হবে। যাদের হাতে দায়িত্ব দিলে ভাল ফসল দিতে পারবে, তাদেরকেই প্রতিনিধি হিসেবে, প্রতিটি এলাকায় নির্বাচিত করার প্রথা চালু করতে হবে। সামান্য স্বার্থের বিনিময়ে বিবেক বিক্রি করে, ক্ষতিকর মানুষকে প্রতিনিধি করার পথ থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।


অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ৫।

৫। সর্বশেষে খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান তারা নিউজ বিডি এর সম্পাদক ও প্রকাশক বলেন, আমার পারিবারিক সম্পত্তি জনস্বার্থে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিব, যদি সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আমার জমির উপরে বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প গড়ে তোলা হবে, যাহাতে সব বয়সের নারী পুরুষ তাদের উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী নানাবিদ অভিজ্ঞতার আলোকে কাজ করে বেকারত্ব, দারিদ্র্যতা বিমোচন সহ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে, সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনে। খন্দকার মাসুদ-উজ-জামানের একটি স্বপ্ন রয়েছে তা হলো তার মায়ের নামে ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সেবাদান করে গরীব-দুঃখী রোগীদেরকে উপকৃত করা। সরকারি চাকুরীর উপর ভরসা করে বসে থেকে সময় নষ্ট করা কারোর জন্যই উচিত হবে না। ঘুষ দিয়ে চাকুরী নেওয়ার মানসিকতা আমাদের মানসিকতা থেকে উঠাতে হবে। ঘুষ দিয়ে চাকুরী নেওয়ার কারণে, ঘুষখোরের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে এবং অনেকে টাকা দিয়েও চাকুরী পায়নি এবং টাকাও ফেরত দেয়নি। মোটকথা প্রয়োজনীয় সময়, প্রয়োজনীয় কর্মসূচী যা মঙ্গলময় তা বাস্তবে রূপদানের চেষ্টার উদ্দেশ্য নিয়ে, সবাইকে মাঠে কাজ করতে হবে সমন্বয়ের মাধ্যমে। এভাবেই সোনার বাংলা গড়ার পথে এগিয়ে যেতে হবে। সোনার মানুষ সৃষ্টি করা ছাড়া সোনার বাংলা গড়ে তোলার আশা করা যায়না। অপকর্ম সৃষ্টির হোতা দিয়ে কোন দেশ ও জাতির উন্নয়ন সাধন হয় না। চেয়ারম্যান, হত্যার বিচার দাবি পরিষদ, জনাব খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান এর মতামত শুনে ও অঙ্গীকারের আলোকে, দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলময় বিষয়গুলো সাঁজিয়ে-গুছিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। ভাল লাগলে-ভাল লাগবে। জ্ঞানী-গুনী এবং মঙ্গলময় উন্নয়ন কামনাকারী নেতৃবৃন্দ আরও মঙ্গলময় চিন্তা-চেতনার আলোকে উন্নয়নমুখী নতুন ধারার কর্মসূচী সংযুক্ত করে এগিয়ে যাবেন এবং জাতিকে ভালো ফসল দিবেন। সেই প্রত্যাশায়।

খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, ঝিনাইদহ্ ৮১/১, শৈলকুপা আসনে মনোনয়নপত্র পেলে এবং এলাকাবাসী নির্বাচিত করলে, তিনি যে দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলো পালন করার পক্ষে, একান্ত স্বাক্ষাতে তার সে মতামত ব্যক্ত করে যে, অঙ্গীকার করেছেন তা পর্যালোচনার স্বার্থে নতুন তথ্য যুক্ত করে তুলে ধরা হলো।

১। খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান একান্ত স্বাক্ষাতে মতামত প্রশ্নের এক পর্যায়ে খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান তার পরিচিতি তুলে ধরেন এবং তিনি আবেগ জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার পিতা মৃত- বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন জামান লক্ষন, মেঝো ভাই মৃত- বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও ঠিকাদার খন্দকার রবি-উজ-জামান সিপার, মেজর জেনারেল মজিদ-উল-হক সাহেবের হাত ধরে জাগ দলে (দলের সe©  পªথম), বর্তমান নাম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এ যোগদান করেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক, ঝিনাইদহ্ জেলা কমিটির দায়িত্ব পেয়ে এবং আমি প্রচার সম্পাদক এর দায়িত্ব পেয়ে, বহু দলীয় গণতন্ত্রের আলোকে দেশ ও জাতীয় স্বার্থে কাজ করার লক্ষ্যে প্রতিপক্ষের প্রবল বিরোধীতার মাঝেও দলের স্বার্থে কাজ করায় সক্রিয় রয়েছি। তিনি তার নানা- মরহুম খন্দকার রওশন আলী, মাওলানা আব্দুল হামিদ খাঁন ভাসানীর অত্যন্ত কাছের লোক ও ভক্ত ছিলেন এবং তার সাথে সরাসরিভাবে রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন, আর জাতীয় স্বার্থে ভাসানী সাহেবের সাথে আন্দোলন, সংগ্রামে সক্রিয় অবদান রেখেছেন বলেও জানান।

বিঃদ্রঃ খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভায় মেয়র পদে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেখানে সাবেক এমপি আব্দুল ওহাব গংরা সরাসরি বিরোধীতা করেছে।

উল্লেখ্য যে, উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনের আর মাত্র ১৬ দিন বাকী। ঠিক ঐ দিন রাত্রে আমার মেজো ভাই বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার খন্দকার রবি উজ জামান সিপার কে হত্যা করা হয় এবং ঐ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনে আমার পাশ করার সম্ভাবনা দেখেই আমার ভাইকে হত্যা করা হয়। যা সুষ্ঠু উচ্চতর তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। আমার ধারনা আমার ভাই সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করতেন বলে তাকে হত্যা করা হয়, তার মানে এক ঢিলে দুই পাখি শিকার। আমাকেও হত্যা করার পরিকল্পনায় আছে।

২। তিনি বলেন ২০০৬ সালের ৭ই অক্টোবর তার পিতা ও মেঝো ভাইকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিংসা পরায়ন হয়ে, নগদ অর্থ ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ের আলোকে খুনী-সন্ত্রাসীচক্র ২০০৮ সালের ২৭ই ডিসেম্বর হত্যা করে, যার বিচার আমি আজও পাইনি (পিতা এবং মেঝো ভাই হত্যাকান্ড একই সূত্রে গাঁথা)। তবুও আমি আমার পিতা ও ভাইকে অনুসরণ করে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম- এর নীতি ও আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে, দীর্ঘদিন যাবৎ সক্রিয় থেকে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছি। আঃ ওহাব গংদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় আমার ভাইয়ের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে বাড়িতে হামলা করে ডিটেনশন খাটিয়ে পুরো পরিবারকে ধ্বংস করার হীন চেষ্টায় এখনো লিপ্ত রয়েছে। অথচ আঃ ওহাব সম্পূর্ণ রূপে একজন অরাজনৈতিক লোক এবং মানব সভ্যতার জন্য ক্ষতিকর মানুষ। মেজর জেনারেল মজিদ উল হক এর নির্দেশক্রমে ঢাকায় থেকে তার মেঝো ভাই খন্দকার বরি-উজ-জামান সিপার, গণতন্ত্র পুনঃউদ্ধারের স্বার্থে, স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন, সংগ্রামে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পতাকা তলে থেকে সক্রিয় অবদান রেখেছেন। তার মেঝো ভাই

চলমান পাতা-০২

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে নমিনেশন পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন, যেই বৎসর ওয়াহাবের নামে নমিনেশন পত্র দেওয়া হয়। বড় কষ্ট হয় সেই ত্যাগ, শ্রম ও ঝুঁকির মাঝে অবদান রেখেও, তিনি ওয়াহাব কর্তৃক নমিনেশন পেপার দাখিল করার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন করার সুযোগ পায় নাই। সেই ত্যাগী পিতা ও মেঝো ভাই খুন হওয়ার ফলে, আমি আতংকগ্রস্থ থাকার কারণে, এলাকায় নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে না পারলেও, এলাকাবাসীর সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করছি এবং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আমি উৎসাহ পাচ্ছি। উক্ত কুচক্রী গং একবার আমার মেঝো ভাইকে সহ আমাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে পেশাদার খুনী চক্র মিলে আটকিয়ে ছিল। কিন্তু মহান বিধাতার সাহায্যে বেঁচে গেছি। আজ দেরিতে হলেও সংবাদ পাচ্ছি পেশাদার খুনীরা, দুর্নীতির অপরাধে এক এক করে ধরা পড়ছে, ভিতরে ঢুকছে, বিচার হচ্ছে। আমি জীবনের মায়া ত্যাগ করে এখনও হত্যার বিরুদ্ধে মাঠে সক্রিয় রয়েছি, যাহাতে খুনীগং বাংলার মাটিতে আর প্রতিষ্ঠিত না হতে পারে।
৩। এই পর্যায়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসনসহ দলের নীতি নির্ধারণকারী নেতৃবৃন্দ যদি আমার পিতা ও মেঝো ভাই এবং আমার কর্ম ও উৎসাহের প্রতি সদয় হয়ে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমাকে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়পত্র দেন তাহলে আমি কৃতজ্ঞ থাকব। আমি নির্বাচিত হলে মঙ্গলময় যে কাজগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব তা সাংবাদিক মোঃ মতিউর রহমান সরদার এর স্বাক্ষাতে আলোচনার বিষয়বস্তু ও ভবিষ্যৎ কর্ম পরিকল্পনার চিন্তা তুলে ধরলাম। এলাকাবাসী আশা করি বিবেচনা করবেন।

 

অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ১।

১। বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম- এর ১৯ দফা কর্মসূচী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, দলের চেয়ারপারসন সহ আদর্শিক নেতৃবৃন্দের সহায়তা নিয়ে, দেশ ও এলাকাবাসীর মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে, কর্মসূচী সম্পর্কে তাদেরকে অবগত করা হবে, যাহাতে ১৯ দফা কর্মসূচী সম্পর্কে সকলে জানতে পারেন। বহু দলীয় গণতন্ত্রের ভাষায় ধনী-গরীব, দুঃখী, অভাবী ও অসহায় মানুষের কথা শুনে পরামর্শ গ্রহণ করা হবে এবং সমন্বয় হয়ে তৃণমূল পর্যায়ে হেটে হেটে গিয়ে এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে এবং এলাকাবাসীর মতামত নিতে হবে, সেই আলোকে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ২।

২। যে সমস্ত খুন, হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষণসহ ইত্যাদি অপকর্ম সৃষ্টি হয়েছে যেগুলোর ন্যায় বিচার মানুষ পায় নাই, সেগুলোর ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করণের স্বার্থে, উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যাহাতে কেউ অকালে স্বজন হারিয়ে না কাঁদে। সেই লক্ষ্য নিয়ে নিজ এলাকার প্রতিটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে মাঝে, মাঝে আলোচনায় বসব। স্বার্থের মোহে অন্ধ হয়ে কেউ যেন কোন প্রকারের ঘৃণীত কাজে জড়িয়ে না পরে, যে কাজগুলো মানুষের শোভা পায় না, সে কাজগুলোর প্রতি নিরুৎসাহীত করা। আমাদের সন্তানদেরকে ভবিষ্যৎ যোগ্য উত্তরসুরী হিসাবে কীভাবে গড়ে তোলা যায়, সে বিষয় নিয়ে সবাইকেই ভাবতে হবে। প্রতি হিংসার রাজনীতির কারণে খন্দকার মাসুদদের নার্সারি লুট করা হয়েছে, কোটি টাকার সম্পত্তি, খুনীর চক্র দখল করে নিয়েছে, তার পরিবারকে শেষ করার পরিকল্পনা চলছে। অন্যের সম্পত্তি দখল ও হত্যার রাজনীতির মূল উৎপাটন করার লক্ষ্যই হচ্ছে, মাসুদের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। যাহাতে যুব সমাজ সুষ্ঠু রাজনীতি করার পরিবেশ আগামী দিনে পায়। সেই পরিবেশ মাসুদ সৃষ্টি করতে চায়। খুন, হত্যা, ঘুষ, দূর্নীতি ও দখলের রাজনীতির শিক্ষা যেন আমাদের যুব সমাজ না পায় এবং অপকর্ম যেন সমূলে ধ্বংস হয়, মাসুদ সেই প্রত্যাশায়।

চলমান পাতা-০৩

পাতা-০৩

 

অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ৩।

৩। মরন নেশায় সুন্দর জীবন ধ্বংস করে দেয়, সমাজ ও পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে দূরে সরিয়ে নেয়। সুতরাং ঘৃণীত মরণ নেশাকে ঘৃণাভরে না না না বলতে হবে। প্রতিটি ভাল কাজকে ভক্তি সহকারে হা হা হা বলে গ্রহণ করতে হবে। সাধারণ পরিবারের সন্তানদের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্যে তাদের ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করতে হবে। কোন পেশা ছোট নয়, তাই কর্মের প্রতি উৎসাহ বাড়াতে হবে, যাহাতে আমাদের যুবকরা তার পরিবারের বাড়তি বোঝা না হয় এবং পরিবারের তথা যুবদের ভবিষ্যৎ অবনতি না ঘটায়।

অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ৪।

৪। ধনী হোক আর গরীর হোক, এবং হোক না সাধারন পরিবারের সন্তান, তা কোন বিষয় নয়। ধনী-গরীব সৃষ্টি করার মালিক তো মহান আল্লাহ্ তায়ালা। বিধায় এদেরকে পাশে রেখেই সু-পরামর্শ নিয়ে কাজ করতেই হবে। সকল বয়সের মানুষকে, সেই পরামর্শ দিতে ও নিতে হবে, দেশে ভাল প্রতিনিধি নির্বাচিত হলে, দেশ ও জাতি গঠনে অবদান রাখার সুযোগ পাবে। আর ভাল লোক যে দলেরই হোক, তাকে অবশ্যই প্রতিনিধি হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। সে যত গরীব পরিবারের সন্তানই হোক না কেন, তার নীতি ও আদর্শকে মূল্যায়ন করতে হবে। কৃষির উন্নয়নে কৃষকদেরকে অগ্রাধিকার দিয়ে তাদেরকে খুঁজে খুঁজে বের করে নিয়ে আসতে হবে এবং কৃষি কাজের প্রতি উৎসাহ বাড়িয়ে ও পরামর্শ দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নয়ন সাধনের প্রতি তাদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে এবং কোন জমি খালি পরে থাকবেনা এবং বেদখল হয়ে থাকা খাল-বিল উদ্ধার করে সংস্কার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা। পাশপাশি কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় সহায়তাও দিতে হবে। দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর গড ফাদার প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না। খুনী, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, কমিশন খোর, টেন্ডারবাজ, মাদক ব্যবসায়ী শ্রেণীর প্রতিনিধিরা কখনো দেশ ও জাতিকে ভাল ফসল দিতে পারেনা এবং ঘৃনা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনে ভোট দেওয়া থেকে সচেতন মানুষকে বিরত থাকতে হবে। যাদের হাতে দায়িত্ব দিলে ভাল ফসল দিতে পারবে, তাদেরকেই প্রতিনিধি হিসেবে, প্রতিটি এলাকায় নির্বাচিত করার প্রথা চালু করতে হবে। সামান্য স্বার্থের বিনিময়ে বিবেক বিক্রি করে, ক্ষতিকর মানুষকে প্রতিনিধি করার পথ থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে।


অঙ্গীকার সহ ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্য চিন্তা পরিকল্পনা: ৫।

৫। সর্বশেষে খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান তারা নিউজ বিডি এর সম্পাদক ও প্রকাশক বলেন, আমার পারিবারিক সম্পত্তি জনস্বার্থে ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করে দিব, যদি সেই পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আমার জমির উপরে বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রকল্প গড়ে তোলা হবে, যাহাতে সব বয়সের নারী পুরুষ তাদের উন্নয়ন ও উৎপাদনমুখী নানাবিদ অভিজ্ঞতার আলোকে কাজ করে বেকারত্ব, দারিদ্র্যতা বিমোচন সহ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে, সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করার প্রয়োজনে। খন্দকার মাসুদ-উজ-জামানের একটি স্বপ্ন রয়েছে তা হলো তার মায়ের নামে ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপরে একটি হাসপাতাল নির্মাণ করে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সেবাদান করে গরীব-দুঃখী রোগীদেরকে উপকৃত করা। সরকারি চাকুরীর উপর ভরসা করে বসে থেকে সময় নষ্ট করা কারোর জন্যই উচিত হবে না। ঘুষ দিয়ে চাকুরী নেওয়ার মানসিকতা আমাদের মানসিকতা থেকে উঠাতে হবে। ঘুষ দিয়ে চাকুরী নেওয়ার কারণে, ঘুষখোরের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে এবং অনেকে টাকা দিয়েও চাকুরী পায়নি এবং টাকাও ফেরত দেয়নি। মোটকথা প্রয়োজনীয় সময়, প্রয়োজনীয় কর্মসূচী যা মঙ্গলময় তা বাস্তবে রূপদানের চেষ্টার উদ্দেশ্য নিয়ে, সবাইকে মাঠে কাজ করতে হবে সমন্বয়ের মাধ্যমে। এভাবেই সোনার বাংলা গড়ার পথে এগিয়ে যেতে হবে। সোনার মানুষ সৃষ্টি করা ছাড়া সোনার বাংলা গড়ে তোলার আশা করা যায়না। অপকর্ম সৃষ্টির হোতা দিয়ে কোন দেশ ও জাতির উন্নয়ন সাধন হয় না। চেয়ারম্যান, হত্যার বিচার দাবি পরিষদ, জনাব খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান এর মতামত শুনে ও অঙ্গীকারের আলোকে, দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলময় বিষয়গুলো সাঁজিয়ে-গুছিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। ভাল লাগলে-ভাল লাগবে। জ্ঞানী-গুনী এবং মঙ্গলময় উন্নয়ন কামনাকারী নেতৃবৃন্দ আরও মঙ্গলময় চিন্তা-চেতনার আলোকে উন্নয়নমুখী নতুন ধারার কর্মসূচী সংযুক্ত করে এগিয়ে যাবেন এবং জাতিকে ভালো ফসল দিবেন। সেই প্রত্যাশায়।

এ বিভাগের সর্বশেষ