৩০/০৫/২০২০ ১১:৫০:৩৫

matrivhumiralo.com পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন

প্রতি মুহূর্তের খবর

o ফেরিঘাটে আটকেপড়া মানুষদের ফিরে আসার আহ্বান : বেনজীর আহমেদ o স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ পড়তে হবে o করোনা মোকাবিলায় মেডিক্যাল টিমসহ ১০০ সেনাসদস্য o করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কার্যক্রম শুরু করেছে সেনাবাহিনী o করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সেনাবাহিনীর মতবিনিময়
আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  শিক্ষা  >   বিদ্যালয়ের ৫৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি

বিদ্যালয়ের ৫৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি

পাবলিশড : ০১/০২/২০১৮ ১৭:৪৭:০৬ পিএম
 বিদ্যালয়ের ৫৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি

গফরগাঁও সংবাদদাতা ::

আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি। পরে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকদের নিয়ে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করে।

প্রবেশপত্র না পাওয়া শিক্ষার্থীরা জানায়, আজ সকাল ৯টায় রৌহা উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক এসএসসি পরীক্ষার্থী গফরগাঁও সরকারি কলেজ ও ইসলামিয়া সরকারি হাইস্কুল কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসে। কিন্তু তারা স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

প্রধান শিক্ষকের বিচারসহ এ ঘটনার প্রতিবাদে সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষার্থীরা তাদের অভিভাবকসহ গফরগাঁও সরকারি কলেজের সামনে সড়ক অবরোধ করে ঘন্টাব্যাপি অবস্থান নেয়। ফলে সড়কে যান চলাচলে ব্যাহত হয়।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান ও ওসি আব্দুল আহাদ খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তদের বিচারের আশ্বাস দিয়ে পরীক্ষার্থীদের শান্ত করেন। পরীক্ষার্থীরা পরে সড়ক অবরোধ তুলে গফরগাঁও থানা ঘেরাও করে ও রৌহা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে হামলা চালায়।

পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রৌহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ তার বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর ফরম পূরণ করান। ফরম পূরণ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উথুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৬ জনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৫৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি।

পরীক্ষায় অংশ নিতে না পেরে পাগলপ্রায় শিক্ষার্থী শামছুন্নাহার, জান্নাত, মিম, স্বর্ণা, ঝুমুর ও সজীব জানায়, উথুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন সুলতানা পপির মাধ্যমে রৌহা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করি। এজন্য প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ আমাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে আড়াই হাজার করে টাকা নেন। কিন্তু আমরা কেউ প্রবেশপত্র পাইনি। কোনো শিক্ষককেও খুঁজে পাচ্ছি না। শিক্ষকের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পরীক্ষাও দিতে পারিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন জানান, প্রতি বছরই প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ শিক্ষার্থীদের সাথে এই অপকর্মটি করে আসছেন।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ ও ইয়াসমিন সুলতানা পপির মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান জানান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

গফরগাঁও থানার ওসি আব্দুল আহাদ খান জানান, এ ঘটনায় একজন পরীক্ষার্থীর অভিভাবক বীরমুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিভাগের সর্বশেষ