২৭/১১/২০২০ ১৯:২৪:২৫

matrivhumiralo.com পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন

প্রতি মুহূর্তের খবর

o এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সভা o ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ইউনিটি’র নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত o ঝালকাঠি রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৩ অক্টোবর পরিচিতি সভা o শান্তিরক্ষা মিশনে গৌরবময় অর্জন রয়েছে নারী পুলিশ o নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশের মহড়া
আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  স্বাস্থ্য  >  বান্দরবান পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট

বান্দরবান পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট

পাবলিশড : ২৮/০২/২০১৬ ০৯:১৯:৫৬ এএম
বান্দরবান পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট

স্বাস্থ্য ডেস্ক ::

বান্দরবান সদর উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সঙ্কট শুরু হয়েছে। বিশুদ্ধ পানির সঙ্কটে বাধ্য হয়ে গ্রামবাসী পান করছেন ঝিরি-ঝর্ণার পানি। এতে পানিবাহিত নানা অসুখে ভুগছেন তারা।
সদর উপজেলার ম্রোলংপাড়া, আমতলি পাড়া, টাইগার পাড়া, গিয়াসমনি পাড়া, তঞ্চৈগাপাড়া এলাকাসহ বেশকটি দুর্গম এলাকায় দেখা গেছে, বিশুদ্ধ পানির উৎসগুলো ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় নদী ও ঝর্ণার ঘোলা পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে গ্রামবাসী।
গ্রামবাসীরা জানান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর উদ্যোগে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে পানির সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্মাণ করা রিংওয়েল, টিউবওয়েলগুলো নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জিএফ পাইপ লাইনের মাধ্যমে দুর্গম এলাকাগুলোতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নেওয়া কয়েক কোটি টাকার প্রকল্পও কাজে আসেনি।
বেশ কয়েকজন পাহাড়িদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুস্ক মৌসুমে পাত কুয়ার পাথরের মধ্যে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিই একমাত্র ভরসা বান্দরবানের বিশাল পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর। পাহাড়ের চূড়ার বাসিন্দাদের পানির উৎস ঝর্ণাধারা। কিন্তু প্রকৃতি ধ্বংস করে নির্বিচারে বনাঞ্চল উজাড় এবং ঝিরি-ঝর্ণা থেকে পাথর উত্তোলনের কারণে বান্দরবানে পানির উৎসস্থলগুলো প্রতিনিয়ত শুকিয়ে যাচ্ছে।
চিম্বুক পাহাড়ের বাসিন্দা মেনরুং ম্রো, টাইগার পাড়ার বাসিন্দার উজলা ত্রিপুরাসহ অনেকে জানান, বিশুদ্ধ পানির সংকটের কারণে পানি আনতে পায়ে হেটে বহু দূরের পথ পাড়ি দিয়ে পানি আনতে হয় তাদের।
এ ব্যাপারে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সোহরাব হোসেন জানান, চাহিদার বিপরীতে শতকরা ৪৯.২০ শতাংশ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য রিংওয়েল, টিউবওয়েল এবং জিএফএস নির্মাণ কার্যক্রম চলছে। বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে গৃহীত প্রকল্পগুলোর সুবিধাও ভোগ করছে লোকজন।’
সোহরাব হোসেন আরো বলেন, ‘ভূ-প্রকৃতিগতভাবে বান্দরবান জেলায় পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। এ ছাড়াও বনাঞ্চল উজাড় ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির উৎস স্থলগুলো শুকিয়ে গেছে। এগুলো সংস্কারের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’

এ বিভাগের সর্বশেষ