০৭/০৮/২০২০ ২০:৪১:০৯

matrivhumiralo.com পড়ুন ও বিজ্ঞাপন দিন

প্রতি মুহূর্তের খবর

o নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে পুলিশের মহড়া o অসহায় মানুষের পাশে পথশিশু ফাউন্ডেশন o অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ o মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি o পেয়ারা বেচা-বিক্রির জন্য রয়েছে ভাসমান বাজার
আপনি আছেন : প্রচ্ছদ  >  বিনোদন  >   দর্শকে টইটুম্বর পাবলিক লাইব্রেরীর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন

দর্শকে টইটুম্বর পাবলিক লাইব্রেরীর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন

পাবলিশড : ০৭/১০/২০১৭ ১১:০১:০০ এএম
 দর্শকে টইটুম্বর পাবলিক লাইব্রেরীর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন

মাতৃভূমির আলো ডেস্ক ::

দর্শকে টইটুম্বর পাবলিক লাইব্রেরীর শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তন। তিল ধারণের ঠাই যেন নাই। মঞ্চায়ন হচ্ছে কঙ্ক আর লীলার অমর গাঁথা। প্রণয় কথাটাতে কেমন একটা অজানার ডাক পাওয়া যায়। এখানে আছে লুকোচুরি, মাদকতা, পৌরাণিকতার গন্ধ। তার সঙ্গে যদি যুক্ত হয় সুরের মূর্ছনা তাহলে তো একশতে একশ। আখ্যানের সপ্তরসের সবকটি রসকেই ধরতে পেরেছেন পাত্র-পাত্রীগন।

এ সার্থকতার ভাগ যেমন আছে চরিত্রদানকারী পাত্র-পাত্রীদের তেমনি এই আখ্যানের নির্দেশকেরও। সুর ছারা আখ্যান হয় না, বাংলার সব লোক আখ্যানে আছে কথার পরে কথা গেঁথে সেখানে সুরের বুননি। সঙ্গীত নির্দেশনা ও প্রণয়নে কাজ করেছেন অনামী ইসলাম কণক। 

মনে হয়েছে ময়মনসিংহ গীতিকার আদি রসের পুকুরে অবগাহন করে এসে, সুরারোপে মনোনিবেশ করেছন সংগীতকার। ইলা রহমানের পোশাক পরিকল্পনা আখ্যানের বিশ্বস্ততা বাড়িয়ে দিয়েছে বহুগুণ। আলোক নিয়ন্ত্রণের কাজটি নির্দেশক নিজের হাতেই রেখে দিয়েছিলেন, এতে করে নিজের চিন্তার পুরোটাই কাজে লাগাতে পেরেছেন বলে মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে গানের দেশের গানের প্রযোজনা, ভাল লেগেছে এক ঘণ্টার পরিবেশনা কঙ্ক ও লীলা।

বাংলা সাহিত্যে ময়মনসিংহ গীতিকার আছে বিশেষ স্থান। ময়মনসিংহ গীতিকা বললেই দীনেশ চন্দ্র সেনের নাম আসে। দীনেশ চন্দ্র সেন সম্পাদিত ময়মনসিংহ গীতিকার কঙ্ক ও লীলা একটি অল্প পরিচিত আখ্যান। বিরহের রসে আঁকা আখ্যানটি বেছে নিয়েছেন তরুণ নির্দেশক লিটন বারুরি। লিটন এক দূর্বার যোদ্ধা, যিনি অসমাপ্তির প্রান্তিক থেকে বিজয়ী বীর। সুস্থ জনের জরাকে ধিক্কার দিয়ে নিজের অসম্পূর্ণতাকে সম্পূর্ণতায় পূর্ণ করে এগিয়ে চলেছেন। কঙ্গ ও লীলার নিদের্শনাকর্ম সেই এগিয়ে চলার আরো একটি মাইল ফলক। এই গাথার রচক চারিজন, দামোদও, রঘুসুত, নয়ানচাঁদ ও নাথ বেনিয়া। এর সংগ্রহ কাজটি করেছিলেন চন্দ্র কুমার দে। সম্পাদকের কথা তো আগেই বলেছি দীনেশ চন্দ্র সেন। এতগুলো মানুষের কর্ম একাই কাঁধে তুলে নিয়ে সফল হয়েছেন লিটন।

এ বিভাগের সর্বশেষ